সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ‘বাঙালী জাতীয়তাবাদ’ গ্রন্থে পাই: ‘শ্রেনি-বিভাজনের স্থির রেখাটি এমনকি সংস্কৃত নাটকের নিজের মধ্যেও ছিল। সেখানে সবাই এক ভাষায় কথা বলতো না, রাজপুরুষদের সংলাপের ভাষা সংস্কৃতই হতো, কিন্ত রাণী ও তাঁর সখীরা কথোপকথন করতো শৌরসেনী প্রাকৃতে, আর সাধারণ মানুষের ভাষা ছিল মাগধী প্রাকৃত, যে মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব বলে মনে করা হয়।’ ফলে সাহিত্য যেহেতু এখানে উচ্চকোটির ভাষিক সৌখিনতার পরিসর, ফলে সেখানে এইসব গাঁইয়াদের অনুপ্রবেশ মেনে নেয়ার সুযোগ নাই। কাব্য করতে আসা রিপন ভিডিও মূলত এই কারণেই তোপের মুখে পড়েন। বিস্তারিত পড়ুন >>
মাহীন হক
লেখক ও অনুবাদক
মানে কী দাঁড়াচ্ছে? মানে হলো গোপনীয়তা কেনা যায়। যার ব্যক্তিগত সম্পদ (যেমন ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট) যত বেশি তার গোপনীয়তা রক্ষার সুযোগও বেশি। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মানুষের এই সুযোগ কম। আর ঘরহীন মানুষ, যারা রাস্তায় থাকে, তারা তো এই ব্যাপারটা আশাই করতে পারে না। সুতরাং উদারপন্থীরা যেমন সবার জন্যে সমান প্রাইভেসির কথা বলে, সেটা আসলে বাস্তবানুগ কিছু না। বিস্তারিত পড়ুন >>